ধর্মপাশায় যুবদল নেতা শীষ মিয়া হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন
- আপলোড সময় : ০৩-০১-২০২৬ ০৯:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ০৩-০১-২০২৬ ০৯:৩৬:১৬ পূর্বাহ্ন
সাইফ উল্লাহ ::
ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের দাশপাড়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া শীষ মিয়া আকন্দের (৪২) মৃত্যু পরিকল্পিত হত্যাকা- বলে দাবি করেছে তার পরিবার। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
শুক্রবার দুপুর ২টায় পাইকুরাটি ইউনিয়নের গাছতলা বাজারে স্থানীয়দের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার না করায় পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
পরিবারের দাবি অনুযায়ী, গত ১৪ ডিসেম্বর রাত ৮টার পর থেকে শীষ মিয়া আকন্দ নিখোঁজ ছিলেন। পরে ২৮ ডিসেম্বর ওই ইউনিয়নের দাশপাড়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সেদিনই মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরদিন নিহতের বড় ভাই জসিম উদ্দিন আকন্দ বাদী হয়ে ধর্মপাশা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় জিংলীগড়া গ্রামের মৃত আমির উদ্দিনের ছেলে বাবুল মিয়া (৪৫) ও রতন মিয়া (৪০), আকিকুর রেজা আকন্দের ছেলে সিরাজুল আকন্দ (৩৫) ও শাহীনুর আকন্দ (৩২), মৃত সুরুজ আলীর ছেলে লালধন (৪৫), গাছতলা বাজার এলাকার মৃত বাদুর আলীর ছেলে মাসুদ (৩৯) ও রাশিদ (৩৮)সহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নিহত শীষ মিয়া আকন্দের স্ত্রী আসমা আক্তার, মা রেহেনা আক্তার, ছেলে শাকিমুল আকন্দ, মেয়ে সোমাইয়া আক্তার, ভাই খাইরুল ইসলাম আকন্দ, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং চাচাতো ভাই মামুন আকন্দ। বক্তারা অবিলম্বে আসামিদের গ্রেফতার ও হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। উল্লেখ্য, নিহত শীষ মিয়া আকন্দ পাইকুরাটি ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি ছিলেন।
এ বিষয়ে ধর্মপাশা থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যা বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

ধর্মপাশা প্রতিনিধি